ke7 আমাদের সম্পর্কে – বাংলাদেশের বিশ্বস্ত অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মের গল্প

ke7 শুধু একটা গেমিং সাইট নয় – এটা লক্ষাধিক বাংলাদেশি খেলোয়াড়ের আস্থার জায়গা। আমরা কীভাবে শুরু হয়েছিলাম, কী নিয়ে কাজ করি এবং আপনার জন্য কী নিয়ে এসেছি – সব কিছু জানুন।

৫০+
সক্রিয় গেম প্রোভাইডার
৫ লাখ+
নিবন্ধিত সদস্য
২৪/৭
বাংলায় সাপোর্ট
৫ মিনিট
গড় উইথড্রয়াল সময়
আমাদের গল্প

ke7 কীভাবে শুরু হয়েছিল

ke7-এর যাত্রা শুরু হয়েছিল একটা সহজ লক্ষ্য নিয়ে – বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের জন্য এমন একটা অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা, যেটা আন্তর্জাতিক মানের কিন্তু মনে হবে পুরোপুরি নিজের। দেশের বাইরের অনেক প্ল্যাটফর্ম আছে, কিন্তু বাংলায় সাপোর্ট, বিকাশ-নগদে পেমেন্ট আর স্থানীয় খেলোয়াড়দের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা প্ল্যাটফর্ম ছিল না বললেই চলে। সেই শূন্যস্থান পূরণ করতেই ke7 আসে।

শুরুতে ছোট একটা দল নিয়ে কাজ শুরু হলেও আজ ke7-এর পেছনে আছে অভিজ্ঞ ডেভেলপার, গেমিং বিশেষজ্ঞ, সাইবার নিরাপত্তা পেশাদার এবং গ্রাহক সেবা বিশেষজ্ঞদের একটি বড় দল। প্রতিটি সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে থাকে একটাই প্রশ্ন – এটা কি আমাদের খেলোয়াড়দের জন্য ভালো?

ke7 বিশ্বাস করে যে অনলাইন গেমিং আনন্দের, ভয়ের নয়। তাই আমরা স্বচ্ছতাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিই। প্রতিটি গেমের RTP প্রকাশিত, প্রতিটি বোনাসের শর্ত স্পষ্টভাবে লেখা এবং যেকোনো অভিযোগের দ্রুত সমাধান আমাদের প্রতিশ্রুতি।

"আমরা চাই প্রতিটি বাংলাদেশি খেলোয়াড় ke7-এ এসে অনুভব করুক – এটা আমার নিজের প্ল্যাটফর্ম। এখানে আমার ভাষায় কথা হয়, আমার পেমেন্ট পদ্ধতিতে লেনদেন হয় এবং আমার সমস্যার দ্রুত সমাধান পাই।"

— ke7 প্রতিষ্ঠাতা দল
আমাদের মূল প্রতিশ্রুতি
লাইসেন্সপ্রাপ্ত এনক্রিপটেড ২৪/৭ সাপোর্ট বাংলায় সেবা বিকাশ/নগদ ন্যায্য গেম
কেন ke7

আমাদের বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলো

যে কারণে লক্ষাধিক খেলোয়াড় ke7-কে বেছে নেন

সর্বোচ্চ নিরাপত্তা

ke7-এ আপনার প্রতিটি লেনদেন SSL এনক্রিপশনের মাধ্যমে সুরক্ষিত। আমাদের সার্ভার ২৪ ঘণ্টা মনিটর করা হয় এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত করা হয়। দুই-স্তরীয় যাচাইকরণ ব্যবস্থা আপনার অ্যাকাউন্টকে আরও মজবুত রাখে।

দেশীয় পেমেন্ট পদ্ধতি

বিকাশ, নগদ ও রকেটের মাধ্যমে মাত্র ৳৫০০ থেকে ডিপোজিট করুন এবং ৫ মিনিটের মধ্যে উইথড্র পান। কোনো ব্যাংক কার্ড বা ডলার ছাড়াই ke7-এ সম্পূর্ণ বাংলাদেশি পদ্ধতিতে খেলুন।

বিশাল গেম সংগ্রহ

ke7-এ আছে ৫০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক গেম প্রোভাইডারের হাজারো গেম। স্লট থেকে লাইভ ক্যাসিনো, স্পোর্টস বেটিং থেকে ক্র্যাশ গেম – সব ধরনের খেলোয়াড়ের জন্য কিছু না কিছু আছেই।

বাংলায় সাপোর্ট ২৪/৭

যেকোনো সমস্যায় ke7-এর লাইভ চ্যাটে বাংলায় কথা বলুন – রাত হোক বা দিন। আমাদের সাপোর্ট টিম গড়ে ২ মিনিটের মধ্যে সাড়া দেয়। ইংরেজি না জানলেও কোনো সমস্যা নেই।

আকর্ষণীয় বোনাস সিস্টেম

ke7-এ নতুন সদস্যরা পান ২০০% ওয়েলকাম বোনাস, প্রতিদিন পান ফ্রি স্পিন, সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক ও রিলোড বোনাস। ভিআইপি সদস্যদের জন্য রয়েছে ব্যক্তিগত অফার ও মাসিক পুরস্কার।

মোবাইল-ফার্স্ট ডিজাইন

ke7 ডিজাইন করা হয়েছে মোবাইল ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে। অ্যান্ড্রয়েড ও iOS-এর জন্য আলাদা অ্যাপ পাওয়া যায়, যেখানে ডেটা কম খরচ হয় এবং লোডিং সময় অনেক কম।

আমাদের লক্ষ্য

মিশন, ভিশন ও মূল্যবোধ

আমাদের মিশন

বাংলাদেশের প্রতিটি খেলোয়াড়ের কাছে নিরাপদ, ন্যায্য ও আনন্দদায়ক অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া – যেখানে ভাষা বা পেমেন্ট পদ্ধতি কোনো বাধা নয়।

আমাদের ভিশন

২০২৬ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত বাংলাভাষী গেমিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করা এবং দশ লাখেরও বেশি সক্রিয় খেলোয়াড়কে সেবা দেওয়া।

আমাদের মূল্যবোধ

স্বচ্ছতা, দায়িত্বশীলতা, খেলোয়াড়কেন্দ্রিকতা ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ – এই চারটি মূল্যবোধই ke7-এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের ভিত্তি।

যাত্রাপথ

ke7-এর মাইলফলক

২০২০
ke7-এর প্রতিষ্ঠা

একটি ছোট কিন্তু উৎসাহী দল নিয়ে ke7-এর যাত্রা শুরু। লক্ষ্য ছিল একটাই – বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের জন্য সত্যিকারের দেশীয় গেমিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা।

২০২১
বিকাশ ও নগদ পেমেন্ট চালু

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের মোবাইল ব্যাংকিং সেবার সাথে পুরোপুরি একীভূত হয় ke7। এই পদক্ষেপ সাধারণ খেলোয়াড়দের কাছে প্ল্যাটফর্মটিকে সহজলভ্য করে তোলে।

২০২২
এক লাখ সদস্যের মাইলফলক

মাত্র দুই বছরে ke7-এর নিবন্ধিত সদস্য সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়ে যায়। লাইভ ক্যাসিনো বিভাগ চালু হয় এবং বাংলা ভাষায় ২৪/৭ সাপোর্ট সেবা শুরু হয়।

২০২৩
মোবাইল অ্যাপ লঞ্চ ও ভিআইপি প্রোগ্রাম

অ্যান্ড্রয়েড ও iOS অ্যাপ প্রকাশিত হয়। ভিআইপি লয়্যালটি প্রোগ্রাম চালু হওয়ায় নিয়মিত খেলোয়াড়রা বিশেষ সুবিধা পেতে শুরু করেন।

২০২৬–২৫
পাঁচ লাখ সদস্য ও নতুন গেম বিভাগ

ke7 এখন পাঁচ লাখেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্যের প্ল্যাটফর্ম। নতুন স্পোর্টস বেটিং, ক্র্যাশ গেম ও ই-স্পোর্টস বিভাগ যোগ হয়েছে। প্রতিদিন নতুন গেম ও অফার আসছে।

আমাদের দল

ke7-এর পেছনের মানুষেরা

অভিজ্ঞতা ও আবেগের সমন্বয়ে গড়া একটি নিবেদিত দল

👨‍💼
রাহুল আহমেদ
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
১০ বছরের গেমিং ইন্ডাস্ট্রি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। ke7-এর কৌশলগত দিকনির্দেশনার মূল চালিকাশক্তি।
👩‍💻
সানজিদা ইসলাম
প্রযুক্তি প্রধান
সাইবার নিরাপত্তা ও ব্যাকএন্ড ডেভেলপমেন্টে বিশেষজ্ঞ। ke7-এর প্ল্যাটফর্মের নিরাপদ ভিত্তি তাঁর হাতেই গড়া।
👨‍🎨
তানভীর হোসেন
পণ্য ও ডিজাইন প্রধান
ব্যবহারকারী অভিজ্ঞতায় দশ বছরের দক্ষতা। ke7-এর সহজ ও আকর্ষণীয় ইন্টারফেসের রূপকার।
👩‍🎧
নাফিসা খান
গ্রাহক সেবা প্রধান
ke7-এর বাংলা সাপোর্ট টিম পরিচালনা করেন। তাঁর নেতৃত্বে সাপোর্ট রেসপন্স টাইম শিল্পে সেরা।
দায়িত্বশীল খেলা

ke7-এ নিরাপদ গেমিং আমাদের অগ্রাধিকার

ke7 শুধু একটা গেমিং প্ল্যাটফর্ম নয়, আমরা একটা দায়িত্বশীল সম্প্রদায় গড়তে চাই। গেমিং আনন্দের হওয়া উচিত – আসক্তির নয়। তাই আমরা খেলোয়াড়দের নিজের খেলার সীমা নির্ধারণের সরঞ্জাম দিই, যেকোনো সময় বিরতি নেওয়ার সুবিধা দিই এবং প্রয়োজনে পেশাদার সহায়তার দিকে নির্দেশ করি।

ke7-এ ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য কোনো সুযোগ নেই। আমাদের বয়স যাচাইকরণ ব্যবস্থা কঠোর এবং আমরা কখনোই এই নীতিতে আপস করি না। যদি কোনো খেলোয়াড় মনে করেন তাঁর সাহায্য দরকার, আমাদের সাপোর্ট টিম সবসময় প্রস্তুত।

দায়িত্বশীল গেমিং সম্পর্কে জানুন
ডিপোজিট লিমিট

নিজেই ঠিক করুন দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক কত টাকা ডিপোজিট করবেন।

বিরতি নিন

যেকোনো সময় ২৪ ঘণ্টা থেকে ৬ মাস পর্যন্ত অ্যাকাউন্ট বিরতি নিতে পারবেন।

বয়স যাচাই

কঠোর KYC প্রক্রিয়ায় নিশ্চিত করা হয় যে শুধু প্রাপ্তবয়স্করাই খেলছেন।

সহায়তা কেন্দ্র

সমস্যা হলে আমাদের প্রশিক্ষিত দল বাংলায় সহায়তা ও পরামর্শ দেবে।

বিস্তারিত

ke7 কেন আলাদা – একটু গভীরে যাই

বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং এখন আর শুধু শহরের তরুণদের বিনোদন নয়। গ্রাম থেকে শহর, ছোট ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে চাকরিজীবী – সব শ্রেণির মানুষ এখন স্মার্টফোনে অনলাইন গেমিং উপভোগ করছেন। ke7 এই বাস্তবতাকে বুঝে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে যেখানে ধীর ইন্টারনেটেও গেম মসৃণভাবে চলে, কম ডেটায় বেশি গেম খেলা যায় এবং পেমেন্ট পদ্ধতিতে কোনো জটিলতা নেই।

ke7-এর গেম লবিতে আছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রোভাইডারদের গেম – Pragmatic Play, Evolution Gaming, Playtech, Microgaming সহ আরও অনেক নাম। এই প্রোভাইডারগুলো নিয়মিত তৃতীয় পক্ষের অডিটের মাধ্যমে তাদের গেমের ন্যায্যতা প্রমাণ করে। ke7 শুধুমাত্র সেই প্রোভাইডারদের নিয়ে কাজ করে যারা RNG (Random Number Generator) সার্টিফিকেশন পেয়েছেন। তার মানে ke7-এ প্রতিটি স্পিন, প্রতিটি কার্ড সম্পূর্ণ র‍্যান্ডম এবং কেউ এটা পূর্বনির্ধারিত করতে পারে না।

ke7-এর স্লট বিভাগে আছে হাজারেরও বেশি গেম। ক্লাসিক থ্রি-রিল স্লট থেকে শুরু করে ৬-রিল মেগাওয়েজ স্লট পর্যন্ত, প্রতিটিতে আছে আলাদা থিম, ফিচার ও পেআউট কাঠামো। যাঁরা নতুন তাঁদের জন্য ke7-এ আছে বিনামূল্যে ডেমো মোড – টাকা না দিয়েই গেম বুঝে নিন, তারপর আসল বেট করুন।

লাইভ ক্যাসিনো বিভাগটা ke7-এর সবচেয়ে জনপ্রিয় অংশগুলোর একটি। রিয়েল ডিলারের সাথে লাইভ ব্ল্যাকজ্যাক, বাকারাট, রুলেট ও তিন পাতি খেলুন – ঘরে বসেই ক্যাসিনোর অনুভূতি পাবেন। ke7-এর লাইভ টেবিলগুলো HD স্ট্রিমিংয়ে চলে এবং বাংলায় কথা বলা ডিলারও আছেন কিছু টেবিলে।

স্পোর্টস বেটিং ke7-এর আরেকটি শক্তিশালী দিক। ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি সহ দেশি-বিদেশি টুর্নামেন্টে বেট করুন। বাংলাদেশ জাতীয় দলের ম্যাচে ke7-এ থাকে বিশেষ অডস এবং লাইভ বেটিংয়ের সুবিধা। ম্যাচ চলাকালীন প্রতি মুহূর্তে অডস আপডেট হয় – তাই সঠিক সময়ে সঠিক বেট করার সুযোগ সবসময় থাকে।

ke7-এর প্রযুক্তি পরিকাঠামো বিশ্বের শীর্ষ ক্লাউড সার্ভিসে হোস্ট করা। ৯৯.৯% আপটাইম গ্যারান্টি মানে আপনি যখনই খেলতে চাইবেন, ke7 সেখানে থাকবে। DDoS সুরক্ষা, নিয়মিত সিকিউরিটি অডিট এবং এনক্রিপ্টেড ডেটা স্টোরেজ – এই তিনটি স্তরে আপনার তথ্য সুরক্ষিত।

ke7 সম্পর্কে দ্রুত তথ্য
প্রতিষ্ঠা: ২০২০ সাল
ভাষা: বাংলা ও ইংরেজি
মুদ্রা: বাংলাদেশি টাকা (BDT)
গেম: ৫,০০০+ শিরোনাম
পেমেন্ট: বিকাশ, নগদ, রকেট
সাপোর্ট: ২৪/৭ লাইভ চ্যাট
এখনই শুরু করুন

ke7-এর পরিবারের অংশ হয়ে যান আজই

পাঁচ লাখেরও বেশি খেলোয়াড়ের বিশ্বাসের প্ল্যাটফর্মে আপনাকে স্বাগতম। নিবন্ধন করুন, প্রথম ডিপোজিটে ২০০% বোনাস পান এবং বাংলাদেশের সেরা গেমিং অভিজ্ঞতা উপভোগ করুন।

১৮+ | দায়িত্বশীলভাবে খেলুন | শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য

English